Image description

নারী নিরাপত্তা জোরদারে দিল্লিতে ‘পিংক ফোর্স’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহলের জন্য প্রশিক্ষিত নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এই বিশেষ বাহিনী গঠন করা হবে।

মঙ্গলবার দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিত সিং সাধু দিল্লি পুলিশকে গোয়া পুলিশের ‘পিংক ফোর্স’-এর আদলে ইউনিটটি গঠনের নির্দেশ দেন। ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি ‘পিংক পেট্রোল’ ও ‘পিংক স্কুটি’ কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।

সম্প্রতি প্রায় ১০ দিনের ব্যবধানে দিল্লিতে নাবালিকাদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের চারটি ঘটনা সামনে আসার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হলো। সর্বশেষ ঘটনায় কালকাজি মন্দিরের কাছে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে কিশোরীকে তার পুরুষ বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা করেছিল।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর সদর বাজারে এক নাবালিকা দোকানের ভেতর যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মধ্য দিল্লির কিষাণগঞ্জে ছয় বছর বয়সী এক শিশুও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। সেপ্টেম্বরের শুরুতে স্বরূপ নগরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার এবং তিন নাবালককে আটক করা হয়।

দিল্লি পুলিশের বিদ্যমান নারী টহল কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনাই নতুন বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্য। এর পাশাপাশি প্রকাশ্য স্থানে নারীদের উত্ত্যক্তকরণ বন্ধে ‘অপারেশন শিষ্টাচার’ চালু থাকবে।

এদিকে পুলিশি ‘জন শুনানি’ কর্মসূচিতে পাওয়া অভিযোগগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিভুক্ত ও অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধপ্রবণ ও জনবহুল এলাকায় পায়ে হেঁটে ও মোটরসাইকেলে টহল বাড়ানোর পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান ও সিসিটিভি নজরদারি জোরদারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
এমআর