Image description

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির লোধি এস্টেটে নিজ বাসভবনের বাইরে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। ভারতের গণমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ ও ‘ডেকান হেরাল্ড’-এর প্রতিবেদনে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)’ প্রক্রিয়ায় মারাত্মক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে বিরোধী দলগুলোর মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাসা থেকে বের হলেই কেজরিওয়ালকে অবরুদ্ধ ও আটক করে পুলিশ।

আটক হওয়ার আগে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একাধিক বারতায় কেন্দ্রীয় মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন কেজরিওয়াল। তিনি লেখেন, "ভারতে বর্তমান মোদী সরকারের দমনপীড়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিরোধী নেতৃবৃন্দ ও আন্দোলনকারীদের ঢালাওভাবে আটক করে নরেন্দ্র মোদী তাঁর নিজের ভীতি ও দুর্বলতাই প্রকাশ করছেন।"

দেশটি এখন মোদীর নেতৃত্বে ‘স্বৈরাচারী শাসনের’ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে কেজরিওয়াল আরও লেখেন, "ভোটিং ব্যবস্থা ও ভোটার তালিকা চুরির মাধ্যমে নির্বাচনে জয়ের পর নিজেদের টিকিয়ে রাখতেই আজ গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। জ্ঞানেশ কুমারকে তো যেতেই হবে, পাশাপাশি মোদীকেও গদি ছাড়তে হবে।"

উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকা এই বিক্ষোভে সংহতি জানাতে এসে ইতোমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ শত শত বিরোধী নেতাকর্মী আটক হয়েছেন।

ডিআর