Image description

শীতের মৌসুম আসছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে দৈনন্দিন ব্যবহারের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির যত্নেও কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার দীর্ঘক্ষণ নিরাপদ ও সতেজ রাখতে শীতকালেও ফ্রিজের তাপমাত্রা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখা জরুরি।

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ফ্রিজ রয়েছে। তবে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ফ্রিজের তাপমাত্রা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। বাইরের আবহাওয়ার তাপমাত্রা কমে গেলে ফ্রিজের ভেতরের পরিবেশেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সেটিংস ঠিক না রাখলে খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ভুল তাপমাত্রায় ফ্রিজ চালালে বিদ্যুৎ খরচও বাড়তে পারে।

সাধারণত ফ্রিজের দরজা খুললে ভেতরের দিকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি ডায়াল বা কন্ট্রোল থাকে। আধুনিক কিছু ফ্রিজে গ্রীষ্ম ও শীতের জন্য আলাদা সেটিংসও দেওয়া থাকে। কোনো কোনো মডেলে সামার ও উইন্টার নামে চিহ্ন থাকে।

আপনার ফ্রিজে এ ধরনের নির্দেশনা না থাকলে প্রস্তুতকারকের দেওয়া ম্যানুয়াল দেখে সেটিংস নির্ধারণ করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, শীতকালে ফ্রিজের তাপমাত্রা ১ দশমিক ৭ থেকে ৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা যেতে পারে। এতে খাবার সংরক্ষণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচেও সাশ্রয় হতে পারে।

তবে বাইরের আবহাওয়া ঠান্ডা বলে ফ্রিজের শীতলতা অতিরিক্ত কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ ঘরের তাপমাত্রা, ফ্রিজে খাবারের পরিমাণ এবং দরজা কতবার খোলা-বন্ধ করা হচ্ছে—এসব বিষয়ের ওপরও ভেতরের তাপমাত্রা নির্ভর করে।

ফ্রিজের ভেতরে রাখা খাবার ঠান্ডা মনে হলেই তাপমাত্রা সঠিক আছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায় না। তাই সম্ভব হলে থার্মোমিটার দিয়ে ভেতরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করুন। পাশাপাশি ফ্রিজের মডেল অনুযায়ী সঠিক সেটিংস জানতে প্রস্তুতকারকের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন।