শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন ও মানোন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ ব্যয় করতে সরকার প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ইউনিসেফ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার চায় শিক্ষার্থীরা যেন বছরজুড়ে পড়াশোনা ও শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে সক্রিয় থাকে।
একই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. মাহদী আমিন। তিনি তার বক্তব্যে শিক্ষার গুণগত মান এবং কাঠামোগত সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ড. মাহদী আমিন বলেন, "সমাজ ও রাষ্ট্রে শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা ও সম্মানকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে দেশের মেধাবী তরুণরা এই পেশাকেই তাদের ক্যারিয়ারের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয়।"
দেশের শহর ও গ্রামীণ শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সবার জন্য শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তিনি কারিকুলামে নৈতিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষার্থীদের নতুন কোনো বিদেশি ভাষা শেখানোর আগে মাতৃভাষা বাংলা ও আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতে সঠিক দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ জোর দেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোই হবে উন্নত জাতি গঠনের মূল চাবিকাঠি।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments