স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় ক্রান্তিলগ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের ভোটে দেশের হাল ধরেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের পর বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বেই এই দেশকে নতুন করে গড়ে তোলা হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত করার বিষয়ে ড. মঈন খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে মন্ত্রিসভা ছয় মাস আগে গঠন করেছিলেন, মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ সারা বিশ্বের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো বিদ্যমান, সে বিষয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল রয়েছেন। সেই সমস্যাগুলো দূর করে বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটি ক্রান্তিকালে, যখন এই দেশের সমগ্র মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছিল এবং একটি রাজনৈতিক দল দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল—সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই ইতিহাসগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। কেননা, বারবার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে পরিক্রমা ব্যাহত হয়েছে, বিএনপি বারবার সেটাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নিয়েছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ত্যাগ ও আপসহীন ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘১৯৮১ সালের পর সংকটময় পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে তিনি জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সেই ধারাবাহিকতায় আজকে ২০২৬ সালে এসে আমরা আবার নতুন করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে নতুন করে গড়ে তুলব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং নবনিযুক্ত দুই প্রতিমন্ত্রী—পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
ডিআর




Comments