চট্টগ্রামের রাউজানে মোহাম্মদ আবদুল করিম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুল করিমের কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি ছিল না। তবে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে দলের সমর্থক হিসেবে জানেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিভিন্ন মিছিল ও সভায় তাকে যুবদল কর্মী হিসেবে দেখা যেত বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
তবে তাকে হত্যার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, মাটি কাটার কাজের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
রাউজান থানার পুলিশ জানায়, আবদুল করিম উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামের আরবান আলী বাড়ির আবদুল মন্নানের ছেলে। লাশ উদ্ধারের পর আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাস্থল থানার প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে। হত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবদুল করিমের সঙ্গে একটি পক্ষের মাটি কাটার হিসাব ও মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলছিল। আধিপত্য বিস্তার ও মাটি কাটার কাজ নিয়ে বিরোধের জেরেও হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে তাদের ধারণা।
এ ছাড়া স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন, আবদুল করিম গাড়ি চুরি ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধের কারণেও তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহাজাহান সাহিল বলেন, আবদুল করিম যুবদলের কোনো পদে ছিলেন না। তিনি দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন।
এসএস




Comments