বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিতে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে তিনি ফেনীর উদ্দেশে যাত্রা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, এক দিনের সফরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ।
সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরশুরামের ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দুপুর দেড়টায় কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
এরপর দুপুর ২টার দিকে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় যাবেন তিনি। সেখানে রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরে সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিতদের সম্মানী হস্তান্তর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের শেষ কর্মসূচি হিসেবে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
এদিকে, পরশুরামে উদ্বোধন হতে যাওয়া মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গত ১৬ জুন একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে।
প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসএ




Comments