টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই চমক দেখাচ্ছে ছোট দলগুলো। প্রথম দুই দিনেই নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, নেপাল ও আয়ারল্যান্ড বড় শক্তির বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে টুর্নামেন্টে বাড়িয়েছে উত্তেজনা। রোববার দিনের শেষ ম্যাচেও শ্রীলঙ্কাকে কঠিন চাপে রেখেছিল আইরিশরা।
যদিও শেষ পর্যন্ত ২০ রানে হেরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষ করতে হয়েছে আয়ারল্যান্ডকে।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৬৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ডের ইনিংস।
লঙ্কানদের দেওয়া ১৬৪ রানের জবাবে খেলতে নেমে পল স্টার্লিং ও রস অ্যাডায়ারের ওপেনিং জুটিতে দেখেশুনে এগোয় আয়ারল্যান্ড।
ওপেনিং জুটিতে আসে ২৪ রান। পাওয়ারপ্লে শেষে বিদায় নেন অ্যাডায়ার। ২৩ বলে ৩৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন আইরিশ ওপেনার। এরপর হ্যারি টেক্টরের সঙ্গে যোগ দেন লরকান টাকার।
দুজনে মিলে গড়ে তোলেন কার্যকর একটি জুটি। কৌশলী ব্যাটিংয়ে এগোতে থাকেন টেক্টর-টাকার। আইরিশ শিবিরে তখন জয়ের স্বপ্ন।
টেক্টর-টাকারের ৪৯ রানের জুটি ভাঙতেই বিপদে পড়ে যায় আয়ারল্যান্ড। শেষ পাঁচ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫১ রান।
কিন্তু স্কোরবোর্ডে আরও ৩০ রান যোগ করতেই ১৪৩ রানে অলআউট হয় তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রানের ইনিংস খেলেন টেক্টর।
বল হাতে শ্রীলঙ্কার হয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করেন বোলাররা। মাহেশ থিকসানা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা নেন তিনটি করে উইকেট। এছাড়া দুটি উইকেট শিকার করেন মাথিশা পাথিরানা।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালোই শুরু করে শ্রীলঙ্কা। দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিসের জুটিতে আসে ২৮ রান। এই জুটি ভাঙার পর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে ছয় নম্বরে নামা কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিস শ্রীলঙ্কাকে এনে দেন চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ।
কামিন্দু মেন্ডিস ১৯ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় গুরুত্বপূর্ণ ৪৪ রান করেন। কুশল মেন্ডিস খেলেন ৪৩ বলে ৫৬ রানের ইনিংস। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে আয়ারল্যান্ডের খারাপ ফিল্ডিং। অন্তত পাঁচটি ক্যাচ ছেড়েছে তারা। যার মধ্যে হামফ্রিসের এক ওভারেই পড়ে তিনটি ক্যাচ। বাজে ফিল্ডিং না হলে আইরিশরা আরও আগেই লঙ্কানদের থামাতে পারত।
আইরিশ বোলারদের মধ্যে লরকান ডকরেল ও ব্যারি ম্যাকার্থি দুটি করে উইকেট নেন।




Comments