চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিশের ঘাট বটগাছ তলা এলাকা থেকে গতরাতে একসাথে ৩৭ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বেড়িবাঁধ এলাকায় অপরিচিত লোকজন দেখতে পেয়ে প্রশাসনকে খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে।
পরে রাত প্রায় ১১টার দিকে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ আটক রোহিঙ্গাদের সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ৮ জন নারী এবং ১৭ জন শিশু রয়েছে।
স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজকর্মী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন রাতে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন।
আটক রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ভাসানচর থেকে দালালের মাধ্যমে পালিয়ে এসেছে। তাদের দাবি, দালালরা পাঁচ দিন ধরে নদীতে নৌকায় রেখে অনাহারে রেখেছিল। পরে বিপুল অর্থের বিনিময়ে চট্টগ্রাম উপকূলে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে গতরাতে সন্দ্বীপের সন্তোষপুর ইউনিয়নের নদীর তীরে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়।
একজন রোহিঙ্গা বলেন, আমরা ভাসানচরে প্রচুর কষ্টে আছি আমাদের মা বাবা উখিয়া থাকে আমার বাবা মারা গেছে কিন্তু আমাকে উখিয়া যেতে দেয়নি, আমাদের কে কোন আত্মীয় স্বজনদের সাথে কথা বা দেখা করতে যেতে দেয় না আমরা উখিয়া চলে যেতে চায় সেখানে আমাদের সবাই থাকে
রোহিঙ্গারা আরও জানান, দালালদের মধ্যে হাসিম (৩০), বোটের মাঝি গাজী, নোয়াখালীর চেয়ারম্যান ঘাট এলাকার শাহিন ও সাইফুল তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছে।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহেদ নুর বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
রোহিঙ্গাদের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুংচিংনু মারমাকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।




Comments