Image description

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ২৩টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে এসব গ্রামের বাসিন্দারা ঈদ পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গিরদাইন, নয়াপুর, গণবাড়ী, লস্করবাড়ি, কোনাবাড়ি, হাতুরাপাড়া ও কলতাপাড়াসহ ২৩টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ শুক্রবার সকালে ঈদের জামাতে অংশ নেন। সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে পৃথক পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের খুতবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

এসব গ্রামের মুসল্লিদের একটি অংশ প্রায় এক দশক ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন। তাদের মতে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলেই ধর্মীয় উৎসব পালন করা যায়। ভৌগোলিক সীমানার চেয়ে ধর্মীয় বিধানকে তারা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। আহলে হাদিস মতাদর্শের অনুসারীসহ স্থানীয় একটি বড় অংশ এই রীতি অনুসরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হদিসের আলোকে বিশ্বের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে আমরা ঈদ পালন করি। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এর ফলে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের চেয়ে একদিন আগেই আমরা ঈদের উৎসবে মেতে উঠি।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে গ্রামগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ছোট-বড় সবাই নতুন পোশাক পরে একে অপরের বাড়িতে যাচ্ছেন এবং সেমাই-পায়েসসহ নানা উপাদেয় খাবারে আপ্যায়িত হচ্ছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর