বরিশালে দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচাপায় আহত স্কুলছাত্রী চৈতি আক্তারের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং ঘাতক চালকের গ্রেপ্তারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠীরা।
নিহত চৈতি আক্তার নগরীর শের-ই-বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ এপ্রিল) স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চৈতিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতেই তার মৃত্যু হয়।
চৈতির অকাল মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী কলেজ রোড এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখায় ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক এবং অটোরিকশা চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ঘাতক অটোরিকশা চালককে দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দেন। প্রশাসকের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, “স্কুলছাত্রীর এই মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দোষী চালককে আইনের আওতায় আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments