ইরান যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে এবার বাড়তে যাচ্ছে কনডমের দাম। বিশ্বের শীর্ষ কনডম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়ার ‘কারেক্স বারহাদ’ তাদের পণ্যের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী গোহ মিয়াহ কিয়াত রয়াটার্সের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হলে দাম আরো বাড়তে পারে।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে খুবই নাজুক ও খরচ অনেক চড়া। এই মুহূর্তে বাড়তি খরচের বোঝা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।
ফেব্রুয়ারির শেষদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই সিন্থেটিক রাবার, নাইট্রাইল, প্যাকেজিং সামগ্রী, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ও সিলিকন তেলের মতো কাঁচামালের দাম হু হু করে বাড়ছে। ইরান যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পেট্রোকেমিক্যাল প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় এই উৎপাদন সংকট তৈরি হয়েছে।
একদিকে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে কনডমের চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। গোহ মিয়াহ কিয়াত জানান, অনেক উন্নয়নশীল দেশে বর্তমানে কনডমের পর্যাপ্ত মজুত নেই। এছাড়া হাজার হাজার পণ্যবাহী জাহাজ সমুদ্রে আটকে থাকায় সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না, যা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
গোহ মিয়াহ কিয়াত জানান, অনেক উন্নয়নশীল দেশে বর্তমানে কনডমের পর্যাপ্ত মজুত নেই। হাজার হাজার পণ্যবাহী জাহাজ সমুদ্রে আটকে থাকায় সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না, যা এই সংকটকে আরো ঘনীভূত করছে।
কারেক্স বছরে ৫০০ কোটিরও বেশি কনডম উৎপাদন করে। প্রতিষ্ঠানটি ডিউরেক্স ও ট্রোজানের মতো ব্র্যান্ডের পাশাপাশি ব্রিটেনের এনএইচএস এবং জাতিসংঘের বৈশ্বিক সহায়তা কর্মসূচিতেও পণ্য সরবরাহ করে।
ফলে কনডমের দাম বাড়লে বৈশ্বিক পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিগুলো বড় ধরনের আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।




Comments