বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার চাহিদাপত্র দিয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাংক। এক সপ্তাহে সে ব্যাংক পেয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। একইভাবে অপর একটি ব্যাংক ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা চেয়ে ১ হাজার কোটি টাকা পেয়েছে। এই চিত্র প্রায় অধিকাংশ ব্যাংকের। ঈদের আগে ব্যাংকে নগদ টাকার তীব্র সংকটের কারণেই গ্রাহক চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেন, ঈদের আগে নগদ টাকার ব্যাপক চাহিদা। বিশেষ করে কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চাহিদা আরও বেড়েছে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে পর্যাপ্ত টাকা দিতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে গ্রাহককে কাঙ্ক্ষিত টাকা দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো।
জানা যায়, কুরবানির ঈদ সামনে রেখে ছাপানো টাকার চাহিদা বেড়েছে। ঈদের আগে টাঁকশালের কাছে অন্তত ১৬ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সেখান থেকে জানানো হয়েছে, কাগজ-কালির সংকটের ফলে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকার নোট দেওয়া সম্ভব।
যদিও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার ১৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পড়ে আছে। এ নোট চাইলে দুই সপ্তাহের মধ্যে বাজারে দেওয়া সম্ভব। তবে আপাতত এই ছবিযুক্ত নোট না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।




Comments