অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি এবং যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে গাড়ি বিকল হওয়ার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই যানজট মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ২৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।
দীর্ঘ সময় যানবাহনে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাড়িমুখী যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি কষ্টে পড়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে।
গাজীপুরের মৌচাক থেকে পাবনাগামী আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, ‘ভোর রাতে বাস না পেয়ে ট্রাকে উঠেছি। দেড় ঘণ্টার পথ আসতে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা। মহাসড়কের পৌলিতে এসে এখনো আটকে আছি।’
নারী যাত্রী সাথী বেগম বলেন, ‘আমি পাবনা যাবো। টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার পর থেকে থেমে থেমে যানজট। একটু যায় আবার আটকে যায়। এতে খুব কষ্ট হচ্ছে।’
যুবক হাসান মিয়া বলেন, ‘কোনো বাসেই আসন ফাঁকা নেই, দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। বাধ্য হয়ে তিন গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ট্রাকে যাচ্ছি। এখানেও যানজটে কষ্ট হচ্ছে।’
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রাতে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা যানজট তৈরি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। কোথাও কোনো দুর্ঘটনা বা যানবাহন বিকল হলে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে যান চলাচল সচল রাখা যায়।




Comments