Image description

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে খেলা চলছিল অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের। স্কোর লাইন ১-১। ম্যাচের ১১২তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা হোসে ম্যানুয়েল লোপেজের বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে ডি বক্সের বাইর থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে সুইজারল্যান্ডের জালে বল জড়ান হুলিয়ান আলভারেজ। এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তাতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কানসান সিটি স্টেডিয়াম। যা ২০২৬ বিশ্বকাপে এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের প্রথম গোল এবং বিশ্বকাপে ষষ্ঠ গোল। অনিন্দ্য সুন্দর গোল করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার পর নিজের গোলে কতটা মুগ্ধ হয়েছেন আলভারেজ। ম্যাচ শেষে তার দেওয়া সাক্ষাৎকারে তা ফুটে উঠেছে।

ম্যাচ শেষে আলভারেজ বলেন, 'আমি দারুণ শট নিয়েছিলাম। আমি এর আগেও একটি শট নিয়েছিলাম। এবার আমি জায়গা পেয়েছিলাম, আমাকে বাধা দিতে কেউ এগিয়ে আসেনি এবং আমি দারুণভাবে শটটি নিয়েছিলাম। একটি চমৎকার গোল।' 

দুর্দান্ত গোলের মেসিকে জড়িয়ে ধরেন আলভারেজ। নিজে গোল করার পর মেসিকে জড়িয়ে ধরার অনুভূতি ব্যাখা করতে গিয়ে আলভারেজ বলেন, 'মেসির হাতে আবারও বিশ্বকাপ তুলে দিতে, আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত। তার জন্য প্রতিটি ম্যাচে একেকটা লড়াই। যখন গোল করলাম, প্রথমেই মেসিকে জড়িয়ে ধরেছি।'

ম্যাচের ৭২ মিনিটের মাথায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ড ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। ১০ জন নিয়েও আর্জেন্টিনাকে যথেষ্ট চাপে রাখে সুইজারল্যান্ড। বিষয়টি স্বীকার করে আলভারেজ বলেন, 'আমাদের একজন অতিরিক্ত খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা জানতাম যে, যদি আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে থাকি, তাহলে গোল আসবেই। স্বাভাবিকভাবেই, আমরা আরও আগে জিততে পারলে খুশি হতাম, কিন্তু আমরা জানি এটা সহজ নয়; বিশ্বকাপের সব ম্যাচই এমন হয়। এখনো দুটি ম্যাচ বাকি।'
মানবকণ্ঠ/এমআর