Image description

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এই আঞ্চলিক ফোরামকে ফের কার্যকর করতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিস্তৃত অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে শামা ওবায়েদ জানান, সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চায়। উভয় পক্ষই সার্ক প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে নতুন করে রাজনৈতিক মনোযোগ দেওয়া এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে সার্কের বর্তমান সামগ্রিক অবস্থা এবং এর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় সার্কের নিয়মিত কার্যক্রম ও বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের শেষের দিকে ‘সার্ক ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট’ প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সার্কে গোলাম সারোয়ারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করে শামা ওবায়েদ বলেন, তার মেয়াদের অর্জিত গতি পরবর্তী মহাসচিবের আমলেও বজায় থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সার্ক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে কাঠমাণ্ডুতে সদর দফতর স্থাপন করে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে আট সদস্যের এই আঞ্চলিক ফোরামটি বর্তমানে চরম স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ডিআর