Image description

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই ঘটনায় তাঁর কথিত সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ডিএমপির গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিবি জানায়, একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থের বিনিময়ে তা বিক্রি করছিল। গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ লেনদেনে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), যেমন বিকাশ ও নগদ ব্যবহার করা হতো।

ডিএমপির গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

ডিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর কথিত সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, জব্দ করা ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ কার্যক্রমের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্যও তদন্তে পাওয়া যাচ্ছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট, আর্থিক লেনদেন ও অন্য সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। ডিবির পক্ষ থেকে নাগরিকদের ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ধারণ, সংরক্ষণ, প্রচার, বিক্রি বা অনলাইনে ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এম আর এ