Image description

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে গুলিতে সোহাগ মিয়া (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের ওপারে ভারতীয় অংশে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ মিয়া চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে সীমান্ত এলাকায় হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে ভারতীয় অংশে এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে সোহাগ মিয়ার লাশ শনাক্ত করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

নিহতের চাচা আবদুল কাদির দাবি করেন, সোহাগ সীমান্তে গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়েছিলেন। বিএসএফ তাকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে হত্যা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তবে বিএসএফের গুলিতে মৃত্যুর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে বিজিবি। হবিগঞ্জে বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ঘটনার পর বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিএসএফের সঙ্গে আলোচনার পর জানা গেছে যে, তাদের গুলিতে সোহাগের মৃত্যু হয়নি। বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে ভাগ-বাঁটোয়ারা বা অন্য কোনো বিরোধের জেরে চোরাকারবারিদের গুলিতেই সোহাগ নিহত হয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার সময় তার সঙ্গে এক ভাইও ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, নিহত ব্যক্তির লাশ বর্তমানে পুলিশের কাছে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং বিষয়টি আরও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।