Image description

ইরানকে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চরম পদক্ষেপ হিসেবে পারমাণবিক হামলার কথা বিবেচনা করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির সাবেক কাউন্টারটেররিজম উপদেষ্টা জো কেন্ট।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান সংকটে ট্রাম্প প্রশাসন যদি কোনো কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ দিকে যেতে পারে। তার মতে, ইরানকে পুরোপুরি পরাস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সরাসরি স্থলযুদ্ধে যাওয়া অথবা পারমাণবিক হামলার মতো চরম পথ ছাড়া বিকল্প সীমিত হয়ে আসতে পারে।

এর আগে এপ্রিল মাসে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের দাবি মেনে না নিলে ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। পরে তিনি দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে হামলার হুমকিও দেন।

জো কেন্টের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ ব্যবহার করেও ইরান সরকারকে উৎখাত কিংবা আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারেনি। বিশাল জনসংখ্যার দেশটিতে সরাসরি স্থলসেনা পাঠানো বাস্তবসম্মত নয় বলেও মনে করেন তিনি। এ অবস্থায় পাহাড়ের ভেতরে থাকা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে সীমিত পরিসরে পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

এদিকে পেন্টাগনের কাছে নির্ভুল নিশানাযুক্ত সামরিক গোলাবারুদের মজুত কমে আসার খবরের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিমান হামলা সাময়িকভাবে কমিয়ে দিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ট্রাম্প গোলাবারুদের ঘাটতির কথা অস্বীকার করেছেন।

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। সম্প্রতি ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ নামে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর আওতায় চীনসহ বিভিন্ন দেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় আরও বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: আরটি

এসএস