Image description

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ আসরে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক বিসিবি পরিচালক মুহাম্মদ মোখলেছুর রহমান শামীমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অন্য দুজন হলেন বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসেন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম সানি। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিপিএলের দ্বাদশ আসরকে ঘিরে বিসিবির ইনটিগ্রিটি ইউনিটের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো, দুর্নীতির তথ্য গোপন করা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্তদের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে ১৪ দিনের মধ্যে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শামীমের বিরুদ্ধে চার অভিযোগ

মোখলেছুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাচ বা ম্যাচের কোনো বিষয় অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, কাউকে দুর্নীতিতে জড়াতে উৎসাহ বা সহায়তা করা এবং দুর্নীতির কোনো প্রস্তাব পাওয়ার পর তা যথাসময়ে জানাতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন তথ্য, যোগাযোগ বা আলামত গোপন, মুছে ফেলা বা নষ্ট করে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিপিএল ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর গত জানুয়ারিতে অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান শামীম। পরে বিসিবি পরিচালকের পদও ছাড়েন তিনি।

জাকিরের বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ

সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাচ বা ম্যাচের কোনো বিষয় প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং দুর্নীতিতে কাউকে উৎসাহ বা সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সানির বিরুদ্ধে দুই অভিযোগ

বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুর্নীতির কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না জানানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, তদন্ত ও শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

এসএস