Image description

আহত পেঙ্গুইনদের দ্রুত সুস্থ করে তুলতে নতুন ধরনের পোশাক তৈরি করেছেন চিলির গবেষকরা। লাল রঙের আঁটসাঁট এসব ভেস্টে তামা ও দস্তার সূক্ষ্ম তন্তু ব্যবহার করা হয়েছে।

চিলির গবেষকরা এখন এসব ভেস্ট হামবোল্ট পেঙ্গুইনের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছেন। দেশটিতে এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতির পেঙ্গুইনের সবচেয়ে বড় ঘনত্ব রয়েছে।

চিকিৎসকরা এর আগে আহত কুকুর ও বিড়ালের চিকিৎসায় এ ধরনের পোশাক ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছেন। পোশাকে থাকা তামা ও দস্তার মাইক্রোফাইবার ত্বকের ক্ষত সারাতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোর উপকণ্ঠে অবস্থিত বুইন চিড়িয়াখানায় পেঙ্গুইনগুলোর শারীরিক মাপ নিয়ে প্রথমবারের মতো তাদের জন্য বিশেষ পোশাক তৈরি করা হয়েছে।

বুইন চিড়িয়াখানার পরিচালক ইগনাসিও ইদালসোয়াগা বলেন, “আমরা ভাবতে শুরু করলাম—এটি পেঙ্গুইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না কেন?”

চিলিতে হামবোল্ট পেঙ্গুইনের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দেশটির প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে চালানো চিলিয়ান ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের জরিপে দেখা গেছে, তিন বছর আগের একই স্থানগুলোর তুলনায় সক্রিয় বাসার সংখ্যা ৬৩ শতাংশ কমেছে।

মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, প্লাস্টিক দূষণ, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং খাবারের জন্য মৎস্যশিল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতাসহ নানা হুমকির মুখে রয়েছে পেঙ্গুইনগুলো।

এর সঙ্গে এবার এল নিনো আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতিও তাদের জন্য নতুন সংকট তৈরি করছে। এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এতে পেঙ্গুইনদের নির্ভরশীল ঠান্ডা পানির মাছ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

খাবারের সন্ধানে পেঙ্গুইনের মা-বাবাকে আরও দূরে যেতে হচ্ছে। ফলে তাদের বাসা ছেড়ে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে হচ্ছে।

সূত্র: এপি

এনএ