Image description

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া সামরিকভাবে যুক্ত হলে ‘মারাত্মক পরিণতি’ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে অংশ নেওয়ার কথা সিউল বিবেচনা করছে—এমন খবরের পর এ সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক উপস্থিতিকে ইরান আগ্রাসনের প্রতি সরাসরি সমর্থন হিসেবে দেখবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ইরানের বিরুদ্ধে সহায়তার জন্য চাপ দিচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র টহল বিমান, রসদবাহী নৌযান ও মাইন শনাক্তকরণ সরঞ্জাম পাঠানোর মতো বিকল্প নিয়ে সিউল আলোচনা করছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে।

তবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ও দেশের অভ্যন্তরীণ বিরোধিতার কারণে সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ানো সিউলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিদেশে সেনা পাঠাতে পার্লামেন্টের অনুমোদনও প্রয়োজন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইরানের হুঁশিয়ারি ও নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ—তিন দিক সামলে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

এসএস