চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটি ও পোর্তোর ম্যাচে উত্তেজনা ছড়াল মাঠ থেকে টানেল পর্যন্ত। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে মার্ক গুয়েহি ও গ্যাব্রিয়েল ভেইগার সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। বিরতির সময় টানেলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।
ঘটনার সূত্রপাত প্রথমার্ধের শেষ দিকে। হেডের জন্য লাফ দেওয়ার সময় সিটির ডিফেন্ডার গুয়েহির সঙ্গে পোর্তোর ভেইগার সংঘর্ষ হয়। পোর্তোর খেলোয়াড়দের অভিযোগ, এ সময় গুয়েহির কনুই ভেইগার গায়ে লাগে। পরে মাঠেই কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেন পোর্তোর এই খেলোয়াড়।
তবে রেফারি ঘটনাটিতে গুয়েহিকে কোনো কার্ড না দেখালে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পোর্তোর খেলোয়াড়রা। এরপর দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। প্রথমার্ধের শেষ বাঁশি বাজার পরও যার রেশ থেকে যায়।
ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পথে টানেলে দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যেও ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত এগিয়ে আসেন নিরাপত্তাকর্মীরা। দুই পক্ষকে আলাদা করে সম্ভাব্য হাতাহাতি ঠেকান তারা।
এ সময় সিটির অধিনায়ক রুবেন দিয়াসকেও পোর্তোর এক কর্মকর্তার সঙ্গে উত্তপ্ত অবস্থায় দেখা যায়।
বিরতির পর অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র ৯৪ সেকেন্ডের মধ্যেই হেডে দলকে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। ম্যাচের যোগ করা সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটির ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।
শেষদিকে হালান্ড ও পোর্তোর পাবলো রোসারিওর সংঘর্ষে দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ফলে জয় পেলেও ম্যাচটি আলোচনায় থাকে শুধু হালান্ডের জোড়া গোলের জন্য নয়, দুই দলের উত্তেজনা ও টানেলে নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপের কারণেও।
ডিআর




Comments