Image description

চলতি মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছে বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফায়েল রাফিনিয়ার। টানা পাঁচ ম্যাচে করেছেন আট গোল। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেইনুর্দের বিপক্ষে করেছেন জোড়া গোল। তবে এমন দুর্দান্ত ফর্মের পরও এবারের ব্যালন ডি’অরের ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা হয়নি তার।

ব্যালন ডি’অরের তালিকায় নিজের নাম না থাকা নিয়ে অবশ্য খুব একটা ভাবতে চান না রাফিনিয়া। বরং তার মনোযোগ পুরোপুরি বার্সেলোনাকে ঘিরে।

ফেইনুর্দের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ব্যালন ডি’অর প্রসঙ্গে রাফিনিয়া বলেন, ‘আমি ব্যালন ডি’অর নিয়ে কথা বলছি না, আমার কথার প্রসঙ্গ বার্সেলোনা। আমরা অসাধারণ একটি মৌসুম কাটাচ্ছি।’

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের মাঠে দারুণ জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। ভারী বৃষ্টির মধ্যেও ফেইনুর্দকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। দলের হয়ে রাফিনিয়া করেছেন দুটি গোল। এ ছাড়া লামিনে ইয়ামাল, করিম আদেয়েমি ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস একটি করে গোল করেন।

ম্যাচে রাফিনিয়ার প্রথম গোলটি আসে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে পেদ্রির থ্রু-বল ধরে পেছন থেকে দৌড়ে এসে বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান তিনি।

বার্সেলোনা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক রাফিনিয়াকে এবার নম্বর নাইন হিসেবে খেলাচ্ছেন। আর নতুন ভূমিকায় দারুণ সফল হচ্ছেন এই ব্রাজিলিয়ান। টানা পাঁচ ম্যাচে আট গোল করে নিজের দুর্দান্ত ছন্দের জানান দিয়েছেন তিনি।

তবে গত মৌসুমের চোট ও ব্রাজিলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে এবার ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা হয়নি রাফিনিয়ার। অথচ ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর ভোটে পঞ্চম হয়েছিলেন তিনি। ফলে এবারের তালিকায় তার অনুপস্থিতি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

নিজেদের মাঠে এমন দারুণ জয় পাওয়ায় দলের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে বলে মনে করেন রাফিনিয়া। তিনি বলেন, ‘নিজেদের সমর্থকদের সামনে আমরা প্রায় নিখুঁত ফুটবল খেলেছি। শুরু থেকেই আমরা ভালো ছিলাম, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও ছিল। এমন শুরু পাওয়া আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করে।’

এদিকে বার্সেলোনার আরেক তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালও ফেইনুর্দের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছেন। আলতো ফ্রি-কিকে দৃষ্টিনন্দন গোল করেছেন ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সতীর্থের এমন পারফরম্যান্সে খুশি রাফিনিয়াও।

ইয়ামালকে নিয়ে বার্সেলোনা অধিনায়ক বলেন, ‘পরিস্থিতি যখন তার অনুকূলে থাকে না, তখন সে যে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে—তা আমি বুঝতে পারি। আমি তাকে উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। সে গোল পেয়েছে বলে আমি খুবই আনন্দিত। আমার বিশ্বাস, এই গোলটি তার খুব প্রয়োজন ছিল।’
এমআর