ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে দেশটিকে আবারও ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে দুটি পথ খোলা আছে—দেশটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া অথবা একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। একই সঙ্গে ইরানকে ‘ভালো আচরণ’ করার পরামর্শ দেন তিনি।
ট্রাম্প আরও জানান, চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে তেহরান অভিযোগ করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সহযোগিতায় ইরানের ওপর নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে তাদেরও পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
তবে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।
এর আগে গত শুক্রবার মধ্যরাতের পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণ আগে রিয়াদ ও আশপাশের এলাকায় হামলার আশঙ্কায় সতর্কবার্তা জারি করেছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে হুতিরা রিয়াদের একাধিক ‘সংবেদনশীল’ স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে।
সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে ক্যাম্প ডেভিডে নিজের অবকাশ সংক্ষিপ্ত করে শনিবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন ট্রাম্প। সিএনএনের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যালেক্স প্লিটসাসের মতে, ইয়েমেনে সম্ভাব্য হামলার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্প ডেভিডে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প।
এমএম
ট্রাম্প বলেন, ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে দুটি পথ খোলা আছে—দেশটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া অথবা একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। একই সঙ্গে ইরানকে ‘ভালো আচরণ’ করার পরামর্শ দেন তিনি।
ট্রাম্প আরও জানান, চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে তেহরান অভিযোগ করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সহযোগিতায় ইরানের ওপর নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে তাদেরও পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
তবে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।
এর আগে গত শুক্রবার মধ্যরাতের পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণ আগে রিয়াদ ও আশপাশের এলাকায় হামলার আশঙ্কায় সতর্কবার্তা জারি করেছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে হুতিরা রিয়াদের একাধিক ‘সংবেদনশীল’ স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে।
সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে ক্যাম্প ডেভিডে নিজের অবকাশ সংক্ষিপ্ত করে শনিবার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন ট্রাম্প। সিএনএনের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যালেক্স প্লিটসাসের মতে, ইয়েমেনে সম্ভাব্য হামলার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্প ডেভিডে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প।




Comments