Image description

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে বসে এই চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে। মূল নীতিগত বিষয়ে কোনো জটিলতা না থাকলেও যৌথ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমেই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করবে।

শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এর আগে দিনের শুরুতে সিরিকিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাংক অব আমেরিকা, গুগল, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও মুডিসের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ঋণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বিষয়টি স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে পারছে। দেশের এই অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একটি সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন কাঠামো চুক্তি তৈরি করা হচ্ছে।

এছাড়া সকালে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের বক্তব্য প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বই সবচেয়ে বড় শক্তি। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে সব উন্নয়ন সহযোগীর আন্তরিক সমর্থন ও যৌথ প্রয়াস ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

ডিআর