Image description

যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ২৯টি বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার প্রকল্প নিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। তবে প্রকল্পে প্রায় ৩ কোটি টাকার মাছের পোনা কিনতে বরাদ্দ রাখা হলেও অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ নামের পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পে পোনা কেনায় মোট ব্যয়ের মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। বাকি ৯৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ব্যয় হবে বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনা, অফিস ভাড়া, সভা-সেমিনারসহ অন্যান্য খাতে।

প্রকল্পে চারটি কম্পিউটার কিনতে ৮ লাখ টাকা, অর্থাৎ প্রতিটির জন্য গড়ে ২ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া এসি, ফটোকপি মেশিন, অফিস ভাড়া ও সভা-সেমিনারের জন্যও ব্যয় রাখা হয়েছে।

এসব ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা, ব্যবহার এবং এসব ব্যয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখবে, তা স্পষ্ট করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ২৯টি বাঁওড়ে রুই ও দেশি ছোট প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করার কথা রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব বাঁওড়ে কত মাছ উৎপাদিত হয়, ১০ শতাংশ উৎপাদন বাড়লে অতিরিক্ত কত মাছ পাওয়া যাবে এবং কত পোনা কেনা হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকল্প প্রস্তাবে নেই।

প্রকল্প বাস্তবায়নে ছয়টি পদে জনবল রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি পদে প্রেষণে, একটি পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে এবং দুটি পদে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের কথা রয়েছে।

প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক জানিয়েছেন, তিনি এখনো প্রকল্পের ডিপিপি দেখেননি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

এসএস