Image description

রাজধানীতে নতুন দুটি মেট্রোরেলের স্টেশন ও রেলপথ নির্মাণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পে চারটি প্যাকেজে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ভবনে চারটি প্যাকেজের আওতায় ঠিকাদার নিয়োগের চুক্তি সই হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, দুই মেট্রোরেলের আওতায় ৮টি উড়াল স্টেশন ও ১১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি হেমায়েতপুর ও পূর্বাচলে মেট্রোরেলের ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প দুটিতে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়ন রয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইনে স্টেশন থাকবে ২১টি। অন্যদিকে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এ লাইনে থাকবে ১৪টি স্টেশন।

দুই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। ২০৩৩ সালের মধ্যে মেট্রোরেল দুটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমদ।

এ সময় ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলমসহ জাপান দূতাবাস, জাইকা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।