আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বিদায়ী ম্যাচটি আয়োজনের পেছনে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) মেসির জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করছে, এমন আশঙ্কা থেকেই শুরুতে এই ম্যাচে রাজি হতে অনাগ্রহী ছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
বুধবার (অক্টোবর) ভোরে বুয়েনস এইরেসে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে শেষবার মাঠে নামবেন মেসি। এটিই জাতীয় দলের হয়ে তার ২০৮তম ও শেষ ম্যাচ। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে।
মেসির বিদায়ী ম্যাচের প্রতিপক্ষ হতে রাজি হয়েছে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৯৩ নম্বরে থাকা বেনিন। তবে ম্যাচটি নিয়ে মেসি ও আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি-দুজনের মধ্যেই কিছুটা আপত্তি ছিল।
আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পরই নিজের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। এর চার বছর আগে মেসির নেতৃত্বেই বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
৩৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্তটিকে বেদনাদায়ক বলেছিলেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। তার ভাষায়, আর্জেন্টিনাকে দেওয়ার মতো আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।
তবে এরপরও মেসির জন্য একটি বিদায়ী ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় এএফএ। ইতালির সংবাদমাধ্যম গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্টের দাবি, ম্যাচটির আর্থিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুরুতে মেসির আপত্তি ছিল।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘মেসি নিজেই এই বিদায়ী ম্যাচের ধারণার ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। তার মনে হয়েছিল, এএফএ তার নাম ব্যবহার করে আরও একবার বিপুল অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করছে।’
অবশেষে অবশ্য ম্যাচটি খেলতে সম্মতি দেন মেসি। আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনা ঘরের মাঠে তিনটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়-বলিভিয়া, বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষে। গাজেত্তার দাবি, এএফএ এমন প্রতিপক্ষ খুঁজতে কলম্বিয়ার একটি এজেন্সিকে দায়িত্ব দিয়েছিল, যারা ম্যাচ খেলার জন্য কোনো পারিশ্রমিক দাবি করবে না।
এসএস




Comments