Image description

ভোলার চরফ্যাশনে মিয়ানমারে পাচারের প্রস্তুতিকালে ২৯৩ বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় সার পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক ও একটি বড় ফিশিং বোট জব্দ করা হয়। বুধবার (১২ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেতুয়া নতুন ফিশারি ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- নোয়াখালী জেলার আছিউল আলমের ছেলে সিরাজ (৬০), চরফ্যাশন উপজেলার মুফাজ্জল হোসেনের ছেলে পারভেজ (৪০), নোয়াখালীর অহিদ হাওলাদারের ছেলে সোহেল (৩২) এবং একই জেলার নবি উদ্দিনের ছেলে শাহারাজ (৪৩)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতুয়া ফিশারি ঘাট এলাকায় একটি বড় ফিশিং বোটে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে সার তোলা হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা চরফ্যাশন থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। এ সময় বোটে থাকা চারজনকে আটক এবং ২৯৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। পরে সার, ট্রাক ও আটক ব্যক্তিদের থানায় নেওয়া হয়।

ঘাট এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঝি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই নৌপথে মিয়ানমারে সারসহ বিভিন্ন পণ্য পাচার করে আসছে। তার দাবি, মিয়ানমার থেকে ফেরার সময় চক্রটি ভোলায় মাদকের চালান নিয়ে আসে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ২৯৩ বস্তা সার ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ঘাটে থাকা ফিশিং বোটটির বিষয়েও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সারগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের প্রস্তুতি চলছিল। তবে এ ঘটনায় পাচারের সঙ্গে কারা জড়িত এবং সারগুলোর প্রকৃত উৎস কী- তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

এম আর এ