Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও তৎকালীন ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যক্তিদের ছবি সংগ্রহশালায় প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রশাসনের ভাষ্য, ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ও ঘটনাবলি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার ইতিহাসের মর্যাদা বিবেচনায় নিতে হবে। ডাকসু গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান হলেও এর সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি ও নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হতে হবে।

এদিকে ডাকসুর ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য ডাকসুর উদ্যোগে অনুমোদন ছাড়া ওয়েবসাইট চালুর বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক মূল্যায়ন নীতিমালা থাকায় এর বাইরে পৃথক কোনো ব্যবস্থা চালুর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রশাসনের দাবি, ওই ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের ‘দ্বৈত প্রশাসন’ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। প্রশাসনিক কাঠামোকে পাশ কাটিয়ে কোনো সমান্তরাল ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে এসব কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এসএস