Image description

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, “আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আমার বিশ্বাস, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাব।”

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প ও নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘদিনের স্থবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনেরও উদ্যোগ নেন। ১৯৬৭ সালে সূচিত এই প্রকল্পের ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ বিগত সরকারের আমলে আইনি ও রাজনৈতিক কারণে আটকে গিয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “বিগত সরকার ১৩০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি গ্রুপে কাজটা শুরু করতে চেয়েছিল, কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ভুক্তভোগী মানুষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে মামলা প্রত্যাহারসহ বুড়িতিস্তার এই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করব।”

একই সাথে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য একটাই—আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।”

পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর