Image description

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, প্রতিবছর বাঁশখালীবাসীকে যাতে বন্যার দুর্ভোগ মোকাবিলা করতে না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, বাঁশখালী এলাকার খালগুলো দীর্ঘদিন ধরে দখল ও দূষণের কারণে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। ফলে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতেই খালগুলো উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এ সমস্যা সমাধানে খালগুলো খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করা হবে, যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলের পানি যাতে মানুষের বসতবাড়িতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও সহায়তায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ঘর নির্মাণ, ত্রাণ বিতরণসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পরে মন্ত্রী বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।