Image description

রংপুরের পীরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নূরুল আমীনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও হুমকিমূলক বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পীরগঞ্জ উপজেলা শাখা। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি পীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও রংপুর জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মিলুর ফেসবুক আইডি থেকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির এবং সংসদ সদস্য মাওলানা নূরুল আমীনকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। এ ছাড়া পীরগঞ্জ মহাবিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাফিউজ্জামান মিরাজও সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আরিফ মিয়া বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে মোস্তাফিজার রহমান মিলু, মাফিউজ্জামান মিরাজ এবং মো. মোয়াজ্জেম রহমান মিঠু সরকারসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা ফেসবুক পোস্ট ও ভিডিওর মাধ্যমে সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে মানহানিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি কোনো কোনো পোস্টে নেতাদের হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। প্রমাণের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট ও ভিডিও এজাহারের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতারা বলেন, “রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের অংশ, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশালীন বক্তব্য ও হত্যার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা মোস্তাফিজার রহমান মিলুকে তাঁর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাই।”

নেতারা আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসা বা সহিংসতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ডিআর