Image description

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন বলে বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। জানা গেছে, তিনি দুপুরের দিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

সরকারি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে দেশের একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পদত্যাগের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।’

সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছিল—এমন গুঞ্জনও নাকচ করে দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে। আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা।’

এদিকে চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফিরছেন। আগে তার ২৬ জুলাই ফেরার কথা থাকলেও সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন।

আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।