Image description

বাংলাদেশে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন লেবাননের এক ব্যবসায়ী। পরে প্রমাণ হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অর্থপাচার করে বাংলাদেশে সেই অর্থ এনেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় তার সাজাও হয়েছে। তবে বাংলাদেশের আদালতে থমকে আছে তার বিচারপ্রক্রিয়া।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সেই মামলার খবর নিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি। এ সময় তিনি সুনির্দিষ্ট একটি অর্থপাচার মামলার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে তথ্য জানতে চান।

মামলার নথি ঘেঁটে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাতে অবস্থিত কোম্পানি রাকিয়ার সাবেক সিইও খাতের মাসাত দেশটি থেকে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার অর্থপাচার করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের তিনটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন তিনি। এগুলো হলো-মিরপুরের রাকিন সিটি, স্টার সিরামিক ও স্টার পোর্শলেইন।

অর্থপাচারের ঘটনায় খাতের মাসাতকে সাজা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশও রয়েছে। অথচ বাংলাদেশে এ-সংক্রান্ত মামলার শুনানি ২০২১ সাল থেকে হাইকোর্টে হয়নি। এ বিষয়েই খোঁজখবর নিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত।

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে চাহিদামাফিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ। মামলার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করা হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে আমি রাষ্ট্রদূতকে বলেছি যে, সরকার ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউএইকে এবং আরএকেকে সহযোগিতা করার জন্য আমাদের যে উদ্যোগ, সেটা অব্যাহত থাকবে। সেটা আরও গতিশীল করা হবে।’

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি।

এনএ