Image description

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের সাজা হওয়ার খবর পাওয়ামাত্রই তাকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। তবে প্রতিটি দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে। কারাবন্দিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি মূলত ২০২৩ সালের।

প্রবাসী কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত। প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের মিশনগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

এদিকে, সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মদের মরদেহ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

নিহত শাহেদ বগুড়ার শাজাহানপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তার দুটি সন্তান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর নিহত প্রবাসীদের মধ্যে এটি ১১তম মরদেহ, যা দেশে আনা হলো।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহতের পরিবারকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ গ্রামে পৌঁছে দিতে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিদেশে কর্মী নিয়োগের খরচ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন।

এনএ