Image description

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের রফতানি ইউরোপের বাজারে ১৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে আসে। 
 
ইপিবির তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে ইইউতে আমাদের পোশাক রফতানি ছিল ১৩ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার।
 
মিলিয়নের হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউরোপের বাজারের বাংলাদেশের পণ্য রফতানি হয়েছে ১৩ হাজার ৭৩৯ কোটি ৭৪ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১১ হাজার ৯৪৩ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ১ হাজার ৭৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার পরিমাণ রফতানি আয় বেড়েছে। যা শতাংশের হিসাবে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। 
 
এই সময়ের মধ্যে ইইউতে আমাদের রফতানি বেড়েছে ৩৭০ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার। ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ের রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর কানাডায় ১৩৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রফতানি বেড়েছে। যা শতাংশের হিসাবে ১৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।
 
১৫ শতাংশ পোশাক পণ্য বৃদ্ধির মধ্যে ইইউ দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে বেড়েছে দশমিক ৮৩ শতাংশ। ইপিবির তথ্য মতে, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারিতে রফতানি হয়েছে ৪ হাজার ৬০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য।
 
ফ্রান্স ও স্পেনে আমাদের পোশাক রফতানি ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৬৬৭ কোটি ৮৯ লাখ মার্কিন ডলার ও ২০৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে রফতানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ ও ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। অন্যদিকে বুলগেরিয়া ও পোল্যান্ডে আমাদের রফতানিতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমেছে। 
 
আলোচিত সময়ের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ রফতানি আয় কমেছে। একই সময়ে কানাডা ও যুক্তরাজ্যে আমাদের পোশাক রফতানিতে বছরে যথাক্রমে ১৯ দশমিক ২৫ শতাংশ ও ১৪ দশমিক ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।
 
২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় আমাদের রফতানি ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন, ৩ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ও ৯৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
 
২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি আয় ৩৩ দশমিক ৪৪ বেড়ে ৪৯৮৩ দশমিক ৫৭ মার্কিন ডলার বেড়েছে। অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বড় বাজারগুলোতে আমাদের রফতানি ছিল যথাক্রমে ৪৫ শতাংশ, ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৫৮ শতাংশ ও ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ।