প্রস্তাবিত ভোলা মেডিকেল কলেজ চরফ্যাশন বা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের দাবি
প্রস্তাবিত ভোলা সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি জেলা শহরের পরিবর্তে চরফ্যাশন উপজেলা অথবা জেলার মাঝামাঝি কোনো সুবিধাজনক স্থানে স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জেলায় দ্রুত সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আইনি নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ) পাঠিয়েছিলেন তিনি।
আবেদনে অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ উল্লেখ করেন, ভোলা একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা হওয়ায় এখানকার মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে ভোলা সদরে ইতোমধ্যে সদর হাসপাতালসহ বেশ কিছু বেসরকারি ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। ফলে ওই এলাকার মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। তবে চরাঞ্চল ও অন্যান্য উপজেলার বিপুল সংখ্যক মানুষ এখনও আধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত।
তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজটি যদি ভোলা জেলা শহরে স্থাপন করা হয়, তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চিকিৎসা নিতে আসতে হবে, যা তাদের চরম দুর্ভোগের কারণ হবে। এর বদলে চরফ্যাশন কিংবা জেলার মধ্যবর্তী কোনো স্থানে হাসপাতালটি স্থাপন করা হলে সাতটি উপজেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ সহজে এবং অল্প সময়ে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে।
সব এলাকার মানুষের সমান স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে বলে আবেদনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, চরফ্যাশন বা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের এই যৌক্তিক দাবিটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এর পক্ষে জোরালো জনমত গড়ে উঠছে বলে জানা গেছে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments