Image description

পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে ফারুক হোসেন প্যাদা (৪০) নামে এক জামায়াত নেতাকে গণধোলাই দিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়ীয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক গৃহবধূকে দীর্ঘক্ষণ উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ তোলেন ওই নারীর স্বামী পারভেজ মৃধাসহ পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে পারভেজের সঙ্গে ফারুকের তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তবে উত্ত্যক্তের অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, "পূর্ব বিরোধের জেরে সাইদুল ও পারভেজ মৃধাসহ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা আমাকে মারধর করে আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে। কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করার বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব ও মিথ্যা অপবাদ।"

অন্যদিকে গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিরক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ইতিপূর্বে সালিশ-বৈঠক হলেও তিনি নিজেকে সংশোধন করেননি। সর্বশেষ বুধবার রাতে আবারও উত্যক্ত করলে স্থানীয়রা প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর