দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অভিযোগের তালিকায় সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের নাম প্রকাশের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কর্তৃপক্ষ তদন্তের উদ্যোগ নেয়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনরায় সক্রিয় করার লক্ষ্যে টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে এসব শিক্ষক গোপন তৎপরতা চালাচ্ছেন। তালিকাটি প্রকাশ্যে আসার পর অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতজন শিক্ষকের নাম আসার পর পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪ জন শিক্ষকের নাম আসায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন শিক্ষকের নাম তালিকায় আসার পর চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা।
এদিকে, একই অভিযোগ তদন্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও পাঁচ সদস্যের তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




Comments