তদন্তে দায়ী, চাকরিচ্যুত—দুই বছর না পেরোতেই বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক
যে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্বাহী পরিচালকের চেয়ার ‘জোরপূর্বক’ দখলের অভিযোগে তদন্ত কমিটি, সেই জাহাঙ্গীরই এখন তদন্তাধীন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নির্বাহী পরিচালকের চেয়ার দখল নিয়ে যার নেতৃত্বে ‘অবৈধভাবে জোরপূর্বক’ দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, সেই কর্মকর্তা এবার সত্যি সত্যিই বসছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকের চেয়ারে। অথচ ওই ঘটনার পর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসরও দেওয়া হয়েছিল।
চাকরি থেকে অবসরের প্রায় ১৭ মাসের মাথায় সেই মো. জাহাঙ্গীর আলম খানকেই এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-২) পদে।
বুধবার (১২ আগস্ট) তিনি নির্বাহী পরিচালক পদে যোগদান করেন বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৪(২) উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তাঁকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
নিয়োগের আইনগত ভিত্তি উল্লেখ থাকলেও এই সিদ্ধান্তের পর সামনে এসেছে একাধিক প্রশ্ন। বিশেষ করে—যে কর্মকর্তার নেতৃত্বে নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি করেছিল, সেই তদন্তের পরিণতি কী হলো? আর যে কর্মকর্তাকে ‘জনস্বার্থে’ সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছিল, তাঁকেই কেন আবার একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক করা হলো?
তিন আদেশে তিন চিত্র
জাহাঙ্গীর আলম খানের বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন বুঝতে হলে তিনটি সরকারি আদেশ পাশাপাশি দেখা জরুরি।প্রথমটি ২৫ মার্চ ২০২৫-এর কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ। এতে বলা হয়, বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকার জনস্বার্থে তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন মনে করায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ এবং সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৩-এর উপধারা ২(গ) অনুযায়ী তাঁকে অবসর দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় আদেশটি একই বছরের ২৭ মার্চ। এতে বলা হয়, বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ‘কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল কর্মকর্তা-কর্মচারী’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের নেতৃত্বে নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব ‘অবৈধভাবে জোরপূর্বক’ গ্রহণ করেন। তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া এবং তাঁর ব্যক্তিগত কাগজপত্র নিতে না দেওয়ার অভিযোগও ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনাটি তদন্তে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমামকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তৃতীয় আদেশটি ১১ আগস্ট ২০২৬-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৪(২) অনুযায়ী মো. জাহাঙ্গীর আলম খানকে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-২) পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়।
একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে একই ব্যক্তিকে ঘিরে এক বছরের ব্যবধানে এই তিন ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
২৩ মার্চ চেয়ার দখল, ২৫ মার্চ অবসর
বিএমডিএর সেচ শাখার প্রধান থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ জাহাঙ্গীর আলম খান কোনো অফিস আদেশ ছাড়াই নির্বাহী পরিচালকের চেয়ারে বসেন বলে অভিযোগ ওঠে।
তখন ওই পদে ছিলেন সরকারের তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম। তাঁকে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক পদে বদলি করা হলেও বিএমডিএতে নতুন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়ায় তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অবস্থায় শফিকুল ইসলামকে জোর করে অফিস থেকে বের করে দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খান নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব নেন।এর মাত্র দুই দিন পর, ২৫ মার্চ তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।
তবে ২৭ মার্চের আদেশে তাঁর নেতৃত্বে নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগের তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, কিংবা তদন্ত কমিটির সুপারিশ কী ছিল?
তদন্তের ফল কোথায়? ১৭ মাসেও ফল অজানা
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২৭ মার্চের আদেশে তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছিল। কমিটির কর্মপরিধির মধ্যে ছিল ঘটনার কারণ উদঘাটন, দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা।
কিন্তু এক বছর চার মাস পর একই ব্যক্তিকে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও ওই তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল কী হয়েছিল—তা স্পষ্ট নয়। এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
তদন্ত কমিটি কি প্রতিবেদন দিয়েছিল? দিলে সেখানে কী বলা হয়েছিল? জাহাঙ্গীর আলম খান বা অন্য কারও বিরুদ্ধে দায় নির্ধারণ করা হয়েছিল কি না? কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা প্রশাসনিক সুপারিশ করা হয়েছিল কি না?
আর যদি তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো দায় পাওয়া না যায়, তাহলে সেই প্রতিবেদন কি নিয়োগের সময় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে?
তদন্তের অভিযোগ, তারপর সেই প্রতিষ্ঠানেই শীর্ষ পদ
একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব নিয়ে বিরোধের ঘটনায় মন্ত্রণালয় যখন উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে, তখন সেই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তাকে পরবর্তী সময়ে একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনিক জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে আনে।
কারণ এখন তিনি শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা নন; তিনি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা। অর্থাৎ বিএমডিএর প্রশাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রকল্প, অর্থব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কেন্দ্রীয় দায়িত্ব তাঁর হাতে থাকবে।
তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আগের অভিযোগের তদন্তের ফলাফল, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং আদালতে চলমান মামলা—এসব কি নিয়োগের আগে পর্যালোচনা করা হয়েছিল?
অবসরের পর নিয়োগ—বিধির শর্ত কী?
২৫ মার্চ ২০২৫ তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়। এরপর ১১ আগস্ট ২০২৬ তাঁকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
অবসর ও নতুন নিয়োগের মধ্যে ব্যবধান প্রায় ১৭ মাস। এখন দেখতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান কী বলে এবং জাহাঙ্গীর আলম খানের ক্ষেত্রে সেসব শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হয়েছে কি না।
কারণ ১১ আগস্টের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের আইনি ভিত্তি হিসেবে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৪(২) উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপনে তাঁর অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তও দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে—এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সংক্রান্ত সাধারণ বিধি, শর্ত বা অপেক্ষাকাল প্রযোজ্য কি না?
যদি প্রযোজ্য হয়, তাহলে ১৭ মাসের মাথায় নিয়োগের অনুমোদন কীভাবে হলো? আর যদি প্রযোজ্য না হয়, তাহলে কোন বিধান অনুযায়ী তা প্রযোজ্য নয়—নিয়োগ আদেশে কি তার ব্যাখ্যা আছে?
উচ্চ আদালতের মামলা থাকলেও নিয়োগ
জাহাঙ্গীর আলম খান তাঁর চাকরি থেকে অবসরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। মামলাটি নিষ্পত্তির আগেই তাঁকে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও প্রশ্ন রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে কোন পর্যায়ে? আদালতের কোনো স্থগিতাদেশ বা নির্দেশনা আছে কি না? নিয়োগ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করেছে কি না? এসব তথ্যও এখন জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন। ‘জনস্বার্থে’ অবসর, আবার ‘জনস্বার্থে’ নিয়োগ!
২৫ মার্চের অফিস আদেশে তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল—‘জনস্বার্থে’ তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে ১১ আগস্টের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনেও নিয়োগটি ‘জনস্বার্থে’ জারি করা হয়েছে। দুই সরকারি আদেশে একই ‘জনস্বার্থ’ শব্দের ব্যবহার নতুন একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে।
যে জনস্বার্থে একজন কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছিল, মাত্র ১৭ মাস পর সেই জনস্বার্থেই তাঁকে আবার একই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন কেন দেখা দিল?
এর মধ্যে কি নতুন কোনো প্রশাসনিক মূল্যায়ন হয়েছে? তাঁর বিষয়ে সরকারের অবস্থানে কী পরিবর্তন এসেছে? সেই পরিবর্তনের ভিত্তি কী? ‘অতীত ঘাঁটাঘাঁটি না করাই ভালো’
এসব অভিযোগ ও প্রশ্নের বিষয়ে সদ্য নিয়োগ পাওয়া বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অতীতের বিষয় নিয়ে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি মানবকণ্ঠকে জানান, আপাতত অতীতের কোনো বিষয় নিয়ে আমরা ঘাঁটাঘাঁটি না করি। চলেন আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। শফিকুল আলম খান নিঃসন্দেহে একজন ভালো মানুষ। তাঁকে মব সৃষ্টি করে (বের করে) দেওয়ার প্রক্রিয়ায় আমি ছিলাম না। এসব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করাই ভালো। অযথা চারিত্রিকভাবে একে অপরের বদনাম হবে।
অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর আলম খানের বিরুদ্ধে যে ঘটনায় অভিযোগ উঠেছিল, সেই সময়ের বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক এবং পরে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলামকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে আমি রাজি নই।
বিএমডিএর চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিনের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিযোগ বা তদন্ত মানেই দোষী নয়। তবে সরকারি নথিতে ‘অবৈধভাবে জোরপূর্বক’ দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগ, তদন্ত এবং ‘জনস্বার্থে’ অবসরের তথ্য থাকায় পরবর্তী নিয়োগের আগে এসবের নিষ্পত্তি ও ব্যাখ্যা জরুরি। বরেন্দ্র অঞ্চলের পানি, সেচ ও কৃষি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বিএমডিএর শীর্ষ পদে পুরোনো প্রশ্ন অমীমাংসিত থাকায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এটি কি প্রশাসনিক পুনর্বাসন, নাকি নতুন মূল্যায়নের ফল?
সবচেয়ে বড় কথা, একই ঘটনায় একসময় তদন্ত, এরপর চাকরি থেকে অবসর—আর তার কিছুদিন পর সেই ব্যক্তিকেই একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ—এই প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার ব্যাখ্যা কী?
এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত বিএমডিএর এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এসএ




Comments