Image description

দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) বড় ধরনের লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ বিকেলের দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এদিন সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুতের ঘাটতি দ্রুত বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এরপর বিকেল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট হতে পারে। বিকেল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াটে দাঁড়াতে পারে।

সন্ধ্যা ও রাতেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতির সম্ভাবনা নেই। সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা হতে পারে ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। রাত ১০টায় ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট, ফলে তখনও ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং অব্যাহত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলেছে।

ডিআর