জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসনের অধীন বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত ৫১ জন কর্মচারীকে ১০ম গ্রেডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) পদে পদোন্নতি দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) এনবিআরের কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন-৪-এর দ্বিতীয় সচিব মো. আবদুল কাইয়ুম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুসারে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা বেতনক্রমে এআরও পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ের গত ৯ আগস্টের স্মারক এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ১ আগস্টের স্মারকের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের সাব-ইনসপেক্টর, সিপাই, প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও অফিস সুপারিনটেনডেন্টসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মচারীরা রয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য বেশ কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তাদের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি অথবা নির্ধারিত যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে তিন মাসের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।
যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর তাদের শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তোষজনক আচরণ ও কর্মসম্পাদন এবং নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর চাকরি স্থায়ী করা হবে। প্রয়োজনে শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
এ ছাড়া প্রশিক্ষণ শুরুর আগে কর্মকর্তাদের ৩০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ড সম্পাদন করতে হবে। বন্ডের শর্ত অনুযায়ী, শিক্ষানবিশকাল বা প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার তিন বছরের মধ্যে চাকরি ত্যাগ করলে প্রশিক্ষণকালীন প্রাপ্ত সব অর্থ ফেরত দিতে হবে।
এনবিআর নির্ধারিত দেশের যেকোনো কাস্টমস ও ভ্যাট-সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের বাধ্য থাকতে হবে। বিপিএসসির সুপারিশ অনুযায়ী তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। চাকরিসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—হবিগঞ্জের মোছা. মাজেদা খাতুন, চুয়াডাঙ্গার মো. রিজবাইল হোসেন, ঝিনাইদহের মুহা. বিপ্লব হোসেন, টাঙ্গাইলের মো. জাহাঙ্গীর আলম ও জীবন কুমার চক্রবর্তী, ঝালকাঠির মো. সুমন হাওলাদার, সাতক্ষীরার মো. আব্দুল আলীম, শরীয়তপুরের মুহাম্মদ মামুন হোসেন এবং সিরাজগঞ্জের মো. এনামুল হাসান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. আমিনুল হক ও শেখ মো. ফরিদ উদ্দিন, কুমিল্লার মোহাম্মদ আলী, সিলেটের মো. আবু হানিফ সবুজ ও মো. কাউছার আহমদ, রাজবাড়ীর মো. দ্বীন ইসলাম, ভোলার মো. সালমান, ঢাকার মো. আলহেলাল তাজ, সুজিত সরকার, মোসা. রোমানা আমিন, মুহাম্মদ আরিফুল হক ফুল, মো. শরিয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া, মো. আরিফুর রহমান, মো. মিনহাজুল ইসলাম ও এম. রিয়াদ হোসেন।
এ ছাড়া রয়েছেন খাগড়াছড়ির সোমেধ তপন চাকমা, চাঁদপুরের মো. স্বপন মজুমদার, মোহাম্মদ মনির হোসেন ও মো. সাজ্জাদুর রহমান, যশোরের মো. সেলিম রেজা, নরসিংদীর মো. মোশারফ হোসেন, জামালপুরের আবদুল্লাহ-আল-মামুন, মসিনুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল-মামুন, রংপুরের মো. আতিকুজ্জামান, মো. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং সিরাজগঞ্জের মো. আমিনুল ইসলাম।
তালিকায় আরও রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম মোল্লা, গোপালগঞ্জের মো. শফিকুল ইসলাম, নোয়াখালীর মো. সালা উদ্দিন সোহেল, হবিগঞ্জের শিশির দাস, ময়মনসিংহের মো. কামরুল হাসান, রাজশাহীর মো. জুবায়ের ইসলাম, কক্সবাজারের রুবেল দে, কুমিল্লার মো. আরিফুল ইসলাম, শেরপুরের তাহমিনা আক্তার রানী, ঝালকাঠির ফারহানা হোসাইন সুমী, পটুয়াখালীর আবু সালে মো. সোহেল এবং বরিশালের মো. কামরুল ইসলাম।
এসএ




Comments