রায়গঞ্জে চুরি-ডাকাতি ও হামলার হিড়িক, চরম নিরাপত্তাহীনতায় বাসিন্দারা
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, হামলা ও লুটপাটের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জনমনে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তিনটি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার, একটি মোটরসাইকেল ও চারটি গরু চুরির খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ধামাইনগর ইউনিয়নের ফরিদপুর, কুর্চা ও বিনোদবাড়িয়া গ্রাম থেকে তিনটি সেচ মোটরের ট্রান্সফরমার চুরি হয়। একই দিন দুপুরে রায়গঞ্জ পৌরসভার মহেশপুর এলাকায় একটি মসজিদের সামনে থেকে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. রুবেল হোসেনের মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এছাড়া গভীর রাতে ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চকমোহনবাড়িয়া গ্রামে আব্দুল হান্নান খানের গোয়ালঘরের তালা কেটে আনুমানিক ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের চারটি গরু নিয়ে যায় চোরচক্র।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর ৭০০ টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে বন্দিহার গ্রামে এক পরিবারকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। গত ২৪ আগস্ট রাতে এক নবজাতকের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় এক সপ্তাহ পার হলেও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ছাড়াও জুলাই মাসে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গাছে ও ঘরের সিলিংয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনাও ঘটে।
উপজেলার ধানগড়া বাজারে গত আগস্টে টিটিসি স্থাপন নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়ানুল হকের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা রাতে পুলিশের টহল বাড়ানো এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানউজ্জামান জানান, প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
ডিআর




Comments