Image description

রাজধানীর পল্লবীতে কবির হোসেন হাওলাদার (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং দাবিকৃত টাকা না দিলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. আশিকসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পল্লবীর সেকশন-১২, ব্লক-ই, রোড-১ এলাকায় ‘সিয়াম জেনারেল স্টোর’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করেন কবির হোসেন হাওলাদার। গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে মো. আশিক নামে এক ব্যক্তি মুঠোফোনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, ওই ফোনালাপে তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

লিখিত অভিযোগে কবির হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ফোনে আশিক তাঁকে চাঁদার টাকা তাঁর আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে ২, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর বিবাদীর কাছে পৌঁছে দিতে বলেন। এরপর একই ব্যক্তি একাধিকবার ফোন করে চাঁদার টাকার জন্য চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দিন রাত ৯টার মধ্যে চাঁদার টাকা পরিশোধের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। অন্যথায় কবির হোসেন অথবা তাঁর পরিবারের যেকোনো সদস্যের বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তাঁর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযুক্তরা হলেন:
১. মো. আশিক (৩৫), পিতা- খালেকুজ্জামান জীবন, সেকশন-১১, পল্লবী।
২. মো. রাসেল (২৫), পিতা- কামার হোসাইন, রহমত ক্যাম্প, সেকশন-১১।
৩. মো. আতিক (আশিকের ছোট ভাই)।
৪. মো. মিঠু (আশিকের খালু)।
৫. মো. ওয়াহিদ (আশিকের মামা)।
এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

অভিযোগকারী কবির হোসেন হাওলাদার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

ডিআর