Image description

সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর হাতে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ও বিপজ্জনক উপকরণ পৌঁছানো ঠেকাতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘ।

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১০টি দেশের ২৫ জন সরকারি কর্মকর্তা একটি প্রশিক্ষণ ও আলোচনায় অংশ নেন। অংশ নেওয়া দেশগুলো হলো—বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তিমুর-লেস্তে ও ভিয়েতনাম।

অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র ও CBRNE–সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।

প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র এবং রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয়, পারমাণবিক ও বিস্ফোরক উপকরণ (CBRNE) ব্যবহার করে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি কীভাবে শনাক্ত ও মূল্যায়ন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের মহড়া কীভাবে পরিচালনা করা যায় এবং এসব কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে চালু রাখা যায়, সে বিষয়েও কর্মকর্তাদের ধারণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘের সন্ত্রাসবাদবিরোধী দপ্তরের (UNCCT) পরিচালক মাউরো মিয়েদিকো বলেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় CBRNE উপকরণ তৈরির প্রয়োজনীয় জ্ঞান, প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও দক্ষতা সহজে পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জাতিসংঘের এই উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলো আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদ এবং বিপজ্জনক উপকরণের অবৈধ পরিবহনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কৌশল বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় দেশগুলোকে সহযোগিতা করে আসছে UNCCT।

এসএস