Image description

বরিশাল নগরীতে দাম্পত্য কলহের জেরে নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে তার স্ত্রী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে স্ত্রী নাসিমা বেগম পলাতক রয়েছেন। নিহত নুরুজ্জামান বরিশাল আদালতের এক আইনজীবীর মুহুরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মঙ্গলবার ভোরে বরিশাল মহানগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠি কলোনির আহসান হাবিবের ভাড়া বাসা থেকে নুরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কয়েকদিন ধরে নুরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে আবারও বিরোধ দেখা দেয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই রাতে নাসিমা বেগম তার স্বামীকে মারধরের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে থাকতে পারেন। পরে বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তবে নুরুজ্জামানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘরের তালা ভেঙে ভেতর থেকে নুরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি বলেন, “নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং পলাতক স্ত্রীকে আটকের চেষ্টা চলছে।”

পুলিশ জানায়, নিহত নুরুজ্জামান হাওলাদার বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের ছেলে। কর্মসূত্রে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে নগরীর ইছাকাঠি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

এ ঘটনায় থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং পলাতক নাসিমা বেগমকে আটকের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

এসএ