Image description

গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ধারাবাহিক ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ব্যক্তি, যানবাহন এবং মানুষের দলকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা শহরের আল-সাফতাউই সড়কে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। গাড়িটিতে আহমেদ আল-বাতশ ছিলেন। কুদস প্রেস তাকে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের একজন কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পশ্চিম গাজা শহরের ১৭ নম্বর গোলচত্বরের কাছে পৃথক আরেকটি ড্রোন হামলায় ইউসুফ আল-জাইম নিহত হন। এ ছাড়া শেখ রাদওয়ান এলাকায় সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা শরিফ লাবাদ ও মুহাম্মদ আল-জিনাতি নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। কুদস প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাবাদকে সহায়তা করার চেষ্টা করার সময় শিশুটি হামলার শিকার হয়।

শেখ আজলিন এলাকায় মানুষের একটি দলের ওপর চালানো আরেকটি ড্রোন হামলায় প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। মধ্য গাজার আল-জাওয়ায়েদা এলাকায় আল-বাইদার ক্যাফের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের মাওয়াসি এলাকার আল-সামুদ অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়া তাঁবু লক্ষ্য করে তিনটি হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন নিহত এবং ২০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

নিহতদের একজন নায়েল আবু ওবাইদ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। কুদস প্রেস তাকে আল-কাসসাম ব্রিগেডের রাফাহ ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে বর্ণনা করেছে। নিহত অপর দুজনের পরিচয় বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনগুলোর কাছাকাছি ইসরায়েলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, এসব ড্রোন জনাকীর্ণ এলাকায় গুলি চালানোর পাশাপাশি বিস্ফোরকও ফেলেছে।
এমআর