Image description

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বহরে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে মো. রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, "নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল থেকে কুষ্টিয়ায় ছিলো। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করেছে। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ তার সঙ্গে কোনো ঝামেলায় যায়নি। আজকে রাতে সে লালন শাহের মাজারে গেছে। তার সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীরাও ছিলো। সেখানে গিয়ে মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে বেশ সময় কাটিয়েছে। চলে আসার সময় কতিপয় ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।"

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, "এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এই বিষয়টি কারও নখদর্পণে ছিলো না। এমনকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে, লালন শাহের মাজারে গেছে, এটাও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি। একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন? যাইহোক, ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ সাথে সাথে উপস্থিত হয়। কিন্তু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তায় ক্ষানিকটা এসে, গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুতবেগে স্থান ত্যাগ করে। ঝিনাইদহের ঘটনায় যেখানে তিনি সাথে সাথে থানায় চলে গেলেন, কিন্তু কুষ্টিয়ায় ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুতবেগে গেলেন? বিষয়টি নিয়ে একধরনের সন্দেহ থেকে যায়।"

উল্লেখ্য, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তাঁর বহরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এতে মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

ডিআর